skip to Main Content
ফ্রিল্যান্সার

নতুন ফ্রিল্যান্সার সাধারনত কি কি ভূল করে থাকেন

নতুন ফ্রিল্যান্সার সাধারনত কি কি ভূল করে থাকেন!

আমাদের দেশের নতুন ফ্রিল্যান্সার সাধারনত যে ভুল-করার কারনে অল্প-সময়ের মধ্যে মার্কেটপ্লেস থেকে বেরিয়ে আসতে হয়।” নতুন ফ্রিল্যান্সার সাধারনত কি কি ভূল করে থাকেন “ এই বিষয়টি কেউ খতিয়ে দেখেন না যে কেন তাহাদের মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসতে হচ্ছে কারন অন-লাইনে অনেক ধরনে ওয়েবসাইট আছে যেখানে খুব সহজে নতুন করে এ্যাকাউন্ট তৈরী করে কাজ করে অর্থ উপর্জন করা যায়।

আসলে আমরা যারা পুরাতন ফ্রিল্যান্সার :

আসলে আমরা যারা পুরাতন ফ্রিল্যান্সার আছি (৫-৭) বছর ধরে অন-লাইনে একটি মাত্র মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আসছি , আমাদের চিন্তা-চেতনা এক রকম যে, আমরা সর্বদাই একই মার্কেটে কাজ করবো এবং প্রতি মাসে ভালো একটা আর্নিং করবো।

কিন্তু যারা নতুন ফ্রিল্যান্সার তারা এই ভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে না, তারা একটা মার্কেট প্লেসে কাজ শুরুকরে মনে করে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক টাকা উপার্জন করবে এবং নিজেই মার্কেটের হিরো হিসাবে নির্বাচিত হবে। কিন্তু অন-লাইনের ফ্রিল্যান্সিং এর বিয়ষটি সম্পূর্ন উল্টো।

তারই ধারাবাহিকতায় , বিভিন্ন গবেষণায় দেখা-গেছে যে, মার্কেটপ্লেজে কাজ করার সময় নতুন ফ্রিল্যান্সারা যে সকল ভুল বেশিভাগ ক্ষেত্রে করে থাকেন তার মধ্যে অন্যতম পাঁচটি বিষয় নিয়ে আজ আলোচনা করবো।

যেমন:-

  • কম্পিউটারে সঠিক নিয়মে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্ট্রল না করা।
  • মার্কেটপ্লেসের নিয়ম না পড়ে হুট-করে আগ্রহী হয়ে এ্যাকাউন্ট ওপেন করা।
  • ক্লায়েন্টে মেসেজের জবাব সঠিক সময় না দেওয়া।
  • প্রজেক্টে কাজ করে ক্লায়েন্টের থেকে ভালো ফিডব্যাক না পাওয়া।
  • মার্কেটপ্লেস থেকে রাতারাতি বড় অংকের অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন দেখা।

কম্পিটারে সঠিক নিয়মে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্ট্রাল না করা :

নতুন অবস্থায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফ্রীল্যান্সার যা করে থাকেন , কোন এক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েই কম্পিউটার কিনে নিজেই নিজেকে হিরো মনে করে সফটওয়্যার ইনস্ট্রল করে কাজ শুরু করেন। আমাদের প্রত্যেকের জানা আবশ্যক ।

কম্পিউটারের সফস্টওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান-গুলি যে সকল সফস্টওয়্যার বাজারে ছাড়ছেন :

কম্পিউটারের সফস্টওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান-গুলি যে সকল সফস্টওয়্যার বাজারে ছাড়ছেন , প্রত্যেকটি সফস্টওয়্যারের ইনস্ট্রল পদ্ধতী অনলাইনে ইউটুবে আপলোড করেছেন, তাই নতুন অবস্থায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে,  এসকল সফটওয়্যার ইনস্ট্রল গাইড লাইন ফলো না করে সফস্টওয়ার ইনস্ট্রল করে ফেলেন ।

কম্পিউটারে কাজ করার সময়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্নুখিন হয়ে থাকেন তার জন্য ক্লায়েন্ট থেকে প্রদত্ব প্রজেক্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেলিভারী করতে পারেন না। এমনকি নিজেকেও অনকে কষ্ট-করতে হয়, কম্পিউটার নিয়ে আবার কোন সার্ভিস সেন্টারে যেতে হয় মেরামত করার জন্য।

মার্কেটপ্লেসের নিয়ম না পড়ে হুট-করে আগ্রহী হয়ে এ্যাকাউন্ট ওপেন করা:

নতুন ফ্রিল্যান্সারের মধ্যে বেশির-ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কাজ পাওয়ার জন্য অধিক ব্যস্ততার কারনে মার্কেটপ্লেজের নিয়ম-কানুন না ফলো করে হুট করে এ্যাকাউন্ট করেন, অতপর দেখা যায় কয়েকদিন পরেই ঐ মার্কেটপ্লেজ হইতে বিভিন্ন ধরনের নটিফিকেশন মেসেজ দিয়ে থাকে।

বিভিন্ন জায়গায় সেটিং পরিবর্তন করতে বলেন :

বিভিন্ন জায়গায় সেটিং পরিবর্তন করতে বলেন, তখন মার্কেটপ্লেজের ক্লায়েন্টের কাজ পাওয়ার থেকে ঐ সকল সেটিংগুলি করা বেশি জরুরী হয়ে পড়ে। এখানে লক্ষ্য করুন, এ্যাকাউন্ট করার পূর্বে যদি সেটিংগুলি ভালো-ভাবে করে এ্যাকাউন্ট করতেন তাহলে এসকল সমস্যার সম্মুখিন হতে না।

প্রত্যেকটি মার্কেটপ্লেজের একটা পেইজ থাকে সেখানে ঐ মার্কেটপ্লেজে কি কি নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে তার বিস্তারিত বিবরন দেওয়া থাকে, তাই নতুন অবস্থায় কোন মার্কেটপ্লেজে কাজ করতে গেলে আপনাকে অবশ্যাই ঐ মার্কেটপ্লেজের (TERMS & CONDITIONS) পেজইটি ভালো-পড়তে হবে।

ক্লায়েন্টের মেসেজের জবাব সঠিক সময় না দেওয়া:

বিভিন্ন গবেষণায় বেশির-ভাগ ক্ষেত্রে দেখা-গেছে যে, নতুন ফ্রিল্যান্সার জবে বিড করে কম্পিউটারের সামনে ঠিকমত থাকেন না, যার কারনে ক্লায়েন্ট যখন ইন্টারভিউর জন্য মেসেজ করেন তখন যথা-সময়ে উত্তর দিতে পারেন না, এ কারনে ক্লায়েন্ট দায়িত্বহীন বলে মনে করেন এবং অন্য ফ্রিল্যান্সারকে ভাড়া করেন।

নিয়মিত কাজ পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই কোন জব পাওয়ার জন্য বিড করে মিনিমাম ৪-৫ ঘন্টা কম্পিউটারের সামনে এ্যাকটিভ থাকতে হবে, লক্ষ্য থাকবে যে ক্লায়েন্ট কখন ইন্টারভিউতে ডাকবে সেই অপেক্ষায় ধৈর্যধরে বসে থাকতে হবে। নতুন ফ্রিল্যান্সার ধৈর্য-হীনতার পরিচারক বলে ক্লায়েন্টের মেসেজের জবাব সঠিক সময় দিতে পারেন না।

প্রজেক্টে কাজ করে ক্লায়েন্টের থেকে ভালো ফিডব্যাক না পাওয়া:

কোন ক্লায়েন্টের কাজ করে যদি ক্লায়েন্টকে আপনি পুরাপুরি সন্তুষ্ট না করতে পারেন তাহলে আপনাকে ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করবেন ঠিকই কিন্তু ফিডব্যাক ভালো দিবে না কারন ফিডব্যাক পাওয়ার জন্য ক্লায়েন্টের সাথে আপনাকে ক্লায়েন্টের পছন্দ-সই কাজ করতে হবে এবং সর্বদাই ক্লায়েন্টের নির্দেশনা মেনে কাজ করতে হবে।

নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সারা ধৈর্য-হীনতার পরিচয় দিয়ে থাকেন :

নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সারা ধৈর্য-হীনতার পরিচয় দিয়ে থাকেন, যেমন- ক্লায়েন্টে চাহিদা মোতাবেক একটা ফাইল প্রেরণ করে ক্লায়েন্টের পরবর্তী নির্দেশনা ফলো না করে অফ-লাইনে থাকেন অথবা কম্পিউটারের কাছে থাকেন না, মনে মনে চিন্তা করেন কাজ করে ফাইল পাঠিয়েছি পেমেন্ট সময় মতন পেয়ে যাব।

কিন্তু নতুনরা একবার চিন্তা করেন না যে, ক্লায়েন্টে কিছু পরিবর্তন থাকতে পারে , যেমন- আমরা জানি প্রত্যেকটি মানুষ পরিবর্তন-শীল, যে কোন সময়ে মানুষের মনের-পছন্দের পরিবর্তন ঘটতে পারে তাই ক্লায়েন্টের কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে তাহার জন্য ফাইল দেওয়ার পর সর্বদাই ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।

যতক্ষণ পর্যন্ত ক্লায়েন্ট সস্তুষ্ট না হন , ততক্ষণ পর্যন্ত ক্লায়েন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। নতুন ফ্রিল্যান্সার এই সকল গাইডলাইন ফলো না করার জন্য ক্লায়েন্টে থেকে ভালো ফিডব্যাক গ্রহন করতে পারেন না।

মার্কেটপ্লেস থেকে রাতারাতি বড় অংকের অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন দেখা:

বিভিন্ন গবেষণার আলোকে দেখা-গেছে যে, নতুন ফ্রিল্যান্সার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভুলটা করে থাকেন, একটা প্রজেক্টে কাজ করেই মনে করেন যে, আমি তো প্রজেক্ট পেয়ে গেছি এখন আমি রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাব, একটা -দুইটা প্রজেক্টে কাজ করে ফেসবুকে, টুইটারে, বিভিন্ন সোশ্যাল-মিডিয়ায় প্রচার করেন , তখন তার নিকতম কিছু স্বার্থপর বন্ধু আছে যারা সেই সুযোগটা কাজে লাগান।

মার্কেটপ্লেজে কাজ না করে তখন বন্ধুদের সাথে গল্প করে অনেক সময় নষ্ট-করে থাকেন :

মার্কেটপ্লেজে কাজ না করে তখন বন্ধুদের সাথে গল্প করে অনেক সময় নষ্ট-করে থাকেন , যে কারনে অন্যকোন ক্লায়েন্টের থেকে কাজ পাওয়ার সুযোগ কম থাকে , এর কারন হলো, যখন কোন মার্কেটপ্লেস থেকে জব পাওয়া যায় তখন নিজে ঐ মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়, কিভাবে সেখান থেকে কাজ পেতে হবে।

কিন্তু বিষয়টা হলো এই যে, নতুন অবস্থায় বেশির-ভাগ ফ্রিল্যান্সারা এই ধরনের ভূল করে থাকেন। যার ফল সরুপ রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায়। তাই আমার এই পোস্টটি নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য , যারা একদম নতুন অবস্থায় মার্কেটপ্লেসে কাজ করা শুরু করত যাচ্ছেন তাদের জন্য।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কি , ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন, ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা কিভাবে তুলতে হয়, ফ্রিল্যান্সিং করে যে কাজে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন, ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে, ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখব, ফ্রিল্যান্সিং কি, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং,কিভাবে কিউকার্ড অ্যাকাউন্ট ওপেন করবেন,কেন কিউকার্ড ব্যবহার করবেন,ডাচ বাংলা একাউন্ট কিভাবে চেক করে,করবেন না,রকেট ব্যালেন্স চেক,ই-কমার্স থেকে কেনাকাটা,ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং ব্যালেন্স চেক,ফিঙ্গারপ্রিন্ট,কিউকার্ডের সুবিধা,আঙ্গুলের ব্যাকটেরিয়া সমূহ,ভিসা কার্ড,ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট,কিউকার্ড কি?,হাতের সমস্যা,মোবাইল ব্যাংকিং,আঙ্গুলের সমস্যা,ওয়েব ডেভলপমেন্ট শেখার সম্পূর্ন গাইডলাইন,কিভাবে বুস্ট করতে হয়!

ফ্রিল্যান্সিং,প্রিন্ট দেয়ার নিয়ম,ফ্রিলেঞ্চিং,ফরেক্স শিক্ষা,ফরেক্স শিক্ষা বাংলা,ওয়েব ডেভলপমেন্ট শেখার সম্পূর্ন গাইডলাইন,ফরেক্স,পার্থক্য,ফরেক্স বাংলা,গ্রাফিক ডিজাইন,গ্রাফিক ডিজাইনের,ওয়েব ডেভেলপমেন্ট,কেমন কম্পিউটার লাগে,ডিজাইনের কাজের জন্যে,bkash account কিভাবে খুলব,আইসিটি ক্লাস,বাংলা টিউটোরিয়াল,ওয়েব ডিজাইন কোর্স,বেসিক ওয়েব ডিজাইন,এইচএসসি আইসিটি ক্লাস,এইচএসসি আইসিটি লাইভ ক্লাস,new freelancers mistake,project milestone,how to request milestone

আপনার আমার এই ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত আরো ধারনা পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

একজন অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারের সফলতার গল্প : | Sreelogo Expert freelancer

My story of becoming a freelancer | Sreelogo Upwork freelancer

#what #new #freelancers #usually #do #wrong #music #creative #purples #love #you #art #lavenders #meme #miami #allthree #it #is #newyork #artists #preprimary #fitness #stupid #a #fashion #bogota #notahitter #go #blackandwhitephotography #lol

Back To Top